Tibajee কেন তৈরি হলো — আমাদের গল্পটা একটু ভিন্নভাবে বলি
২০১৯ সালে যখন Tibajee-র পরিকল্পনা শুরু হয়, তখন বাংলাদেশে অনলাইন গেমিংয়ের ছবিটা অনেকটা এরকম ছিল — বড় আন্তর্জাতিক প্ল্যাটফর্মগুলো ছিল, কিন্তু বাংলাদেশের মানুষের কথা ভেবে কেউ তৈরি করেনি। ইংরেজি ইন্টারফেস, ডলারে ডিপোজিট, বিদেশি ব্যাংক কার্ড — এই জটিলতাগুলো সাধারণ মানুষের কাছে পুরো অভিজ্ঞতাটাকেই দূরের করে রাখত।
Tibajee-র প্রতিষ্ঠাতা দলটি মনে করেছিল এই ফাঁকটা পূরণ করার সময় এসেছে। বাংলাদেশের মানুষ ক্রিকেটকে ভালোবাসেন, ফুটবলে উত্তেজিত হন, বিকাশে লেনদেন করেন — এই বাস্তবতার সাথে মিলিয়ে একটি প্ল্যাটফর্ম তৈরি করলে কেমন হয়? সেই প্রশ্ন থেকেই Tibajee-র জন্ম।
প্রথম দিন থেকেই সিদ্ধান্ত ছিল — সবকিছু বাংলায় হবে। শুধু ইন্টারফেস না, সাপোর্টও। নিবন্ধন প্রক্রিয়া থেকে শুরু করে উইথড্র রিকোয়েস্ট — প্রতিটি ধাপে বাংলাদেশি ব্যবহারকারী যেন স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন। এই সিদ্ধান্তটাই Tibajee-কে অন্যদের থেকে আলাদা করেছে এবং দ্রুত বৃদ্ধির কারণ হয়েছে।
নিরাপত্তার বিষয়ে Tibajee সবসময় কোনো ছাড় দেয়নি। SSL এনক্রিপশন, দুই স্তরের লগইন যাচাই, এবং সন্দেহজনক লেনদেন স্বয়ংক্রিয়ভাবে ফ্ল্যাগ করার ব্যবস্থা — এগুলো শুরু থেকেই ছিল। অনেক ব্যবহারকারী হয়তো জানেন না যে প্রতিটি লগইনের পেছনে কতগুলো নিরাপত্তা স্তর কাজ করছে, কিন্তু সেটাই আমাদের উদ্দেশ্য — ঝামেলাবিহীন নিরাপত্তা।
পেমেন্টের ক্ষেত্রে Tibajee-র দর্শনটা পরিষ্কার। উইথড্র মানে খেলোয়াড়ের অর্জিত টাকা — এটা যত দ্রুত সম্ভব পাঠানো উচিত। এই কারণে Tibajee তার পেমেন্ট সিস্টেমে ক্রমাগত বিনিয়োগ করেছে। আজকে ১৫–৩০ মিনিটে উইথড্র প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার পেছনে বছরের পর বছর প্রযুক্তিগত উন্নয়ন আছে।
দায়িত্বশীল খেলার বিষয়টা Tibajee খুব গুরুত্বের সাথে দেখে। ব্যবসার স্বার্থের কথা ভাবলে এই ফিচারগুলো না রাখলেই লাভ বেশি হতো। কিন্তু আমরা মনে করি দীর্ঘমেয়াদী সম্পর্ক গড়তে হলে খেলোয়াড়ের সুস্থতাকে আগে রাখতে হবে। সেলফ-এক্সক্লুশন ব্যবহার করে একজন সদস্য হয়তো কিছুদিনের জন্য চলে যান — কিন্তু ফিরে আসেন আস্থা নিয়ে।
Tibajee-র দলটি ছোট কিন্তু নিবেদিত। সাপোর্ট টিমের ৮০ জন প্রতিনিধি তিন শিফটে কাজ করেন যাতে যেকোনো সময় বাংলায় সাহায্য পাওয়া যায়। প্রযুক্তি দলটি নিরন্তর প্ল্যাটফর্মের উন্নতিতে কাজ করে — প্রতিটি আপডেটের পেছনে থাকে ব্যবহারকারীদের ফিডব্যাক।
আগামী দিনে Tibajee আরও বেশি স্থানীয়ভাবে প্রাসঙ্গিক হতে চায়। BPL মৌসুমে বিশেষ অফার, ঈদের সময় উৎসব প্রোমোশন, বাংলাদেশের জেতা ম্যাচে বাড়তি পুরস্কার — এই ধরনের উদ্যোগ আরও বাড়বে। আমাদের লক্ষ্য একটাই: Tibajee যেন প্রতিটি বাংলাদেশি খেলোয়াড়ের কাছে নিজের মনে হয়।